।
ডিনারের পর ওয়েড ফুরফুরে মন নিয়ে পেচ্ছাপ করে হালকা হয়ে নিল। তবু ঠিক কমফোর্ট ফিল না হওয়ায় আরও হালকা হওয়ার উদ্দেশ্যে পুরো উদোম হয়ে খাটে উঠে ঘুমোতে যাবে, এমন সময় ওর বিপার বেজে উঠল।
"কোন ল্যাওড়া বে!" বিরক্তি চেপে বিপার তুলে নিয়ে ওয়েড দেখল একটা শপিং মলে আগুন লেগেছে।
"জীবনে বাল কিছু আর থাকল না।" হ্যাঙ্গার থেকে ইউনিফর্ম তুলে নিতে নিতে হতাশ ওয়েড স্বগতোক্তি করল, "শালা সুপারহিরোগিরি মারিয়ে মারিয়ে বাঁশ হচ্ছে পুরো।"
জম্পেশ করে একটা হাই তুলে ওয়েড দৌড় দিল। হুঁশ..
বাইবাই, পাইপাই করে দৌড়চ্ছে ওয়েড। অবশ্য অলস থাকার কারণে স্পিড অনেক কম আপাতত। মিনিটে 200 কিমি গতিবেগ নিয়ে চলছে ওর পা। এই রাত্রে রাস্তা ফাঁকা বলে মাঝে মধ্যে ঝপ করে চোখ বুজেও নিচ্ছে। ঘুমটা যায়নি এখনও।
জ্বলন্ত মলের সামনে পৌঁছল ওয়েড। ওকে দেখেই বাইরের জনতার মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে গেল।
"ফ্ল্যাশ এসেছে। ফ্ল্যাশ এসেছে।"
ওয়েড ক্রুদ্ধ স্বরে বলল, " গান্ডু কোম্পানির ভেজাল সাপ্লাই নাকি বাওয়া? আমি এসেছি আমি জানি না? ক্যাত করে পেছনে এমন লাথাব না, হাগতে গিয়ে হিসু বেরবে।"
এক ভদ্রমহিলা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, "আমার মেয়ে আটকে আছে ফ্ল্যাশ ভাই। প্লিজ.."
ওয়েড গম্ভীর হয়ে বলল, " রাখী পরানোর মতলব একদম নয় নারী। নো ইমোশনাল অত্যাচার। জাস্ট ডু ইওর ডিউটি। আপনার কাজ কাঁদা, আমার কাজ পাঁদা। "
দু'সেকেন্ড লুঙ্গি ড্যান্স করে ওয়েড দৌড়ে ঢুকে গেল মলের ভিতর। সে জানে এই ড্যান্স-ভিডিও ভাইরাল হবে। প্রচারের আলোয় থাকার সূক্ষ্ম কৌশল।
মলের ভিতরে এত আগুন জ্বলছে যে ওয়েড প্রথমে ভাবল বোধহয় স্পেশাল এফেক্ট। শুঁকে পরখ করতে গিয়ে নাকের লোম পুড়ে যাওয়ায় নিঃসন্দেহ হল। এত আগুন তো ওয়েডের প্রেমিক-হৃদয়েও নেই কাকা! অজ্ঞান হয়ে যাওয়া একজনের দিকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে পাঁদ দিতেই সে সজ্ঞান হয়ে ওয়েডকে ধাক্কা মেরে নিজে আগুনে ঝাঁপ দিতে গেছিল। অদ্ভুত লোক মাইরি। স্ট্রং গাঁজা টেনে আলোর গতির অর্ধেক বেগে দৌড়তে সক্ষম ওয়েড উইলসন ওরফে ফ্ল্যাশ-এর সামনে এসব প্ৰচেষ্টা কখনও সাফল্যের মুখ বা পোঁদ কিছুই দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা জিরো। কেউ বোঝে না! দীর্ঘশ্বাস ফেলে ওয়েড ওকে ধরে বাইরে নিয়ে গেল। আরেকজন 'ভয় করছে, ভয় করছে" বলে ওয়েডের নাগালে আসতে না চাওয়ায় ওয়েড তার মোটা ভুঁড়িতে সুপারফাস্ট কিক মেরে বাইরে পাঠিয়ে দিল। এইভাবে ক্রমে-ক্রমে সবাইকে উদ্ধার করে ফেলল ফ্ল্যাশ।
ইতিমধ্যে সাংবাদিকরা চলে এসেছে। তারা ফ্ল্যাশের মুখের সামনে মাইক ধরে জিজ্ঞেস করল, "এই বীরত্বের কাজ করে আপনার ঠিক কেমন লাগছে?"
"ভাল। মনে হচ্ছে আমি একটা বাঘ, আর সামনে একপাল ভেড়া। দারুণ ফিলিং।"
সাংবাদিক আমতা-আমতা করে বলল, "উপমাটা কেমন যেন, ইয়ে মানে অপ-"
"সরি, ভুল বললাম। বাঘ তো ভেড়া চিবিয়ে ব্রেকফাস্ট করে। আমি বাঁচালাম। সবাই বাড়ি যান। ভিডিওটা কেউ একজন হোয়াটসআপ করে দিন আমায়।" ওয়েড মাথা ঝাঁকিয়ে দেখল ড্যানড্রাফ পড়ছে কিনা, "সঙ্গে নিজের ডাকনাম পাঠাতে ভুলবেন না। যে নামে বউ ডাকে, কেমন?"
ওয়েড যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হল কংক্রিটের রাস্তায় জুতো ঠুকে। সবাই সমস্বরে আবেদন করল, "আমাদের জন্য কিছু বাণী, উপদেশ দেবেন না ফ্ল্যাশ?"
ওয়েড চোখ নাচিয়ে হাসল, "ফাক ইওরসেলফ ডিয়ার।"
.
ডিনারের পর ওয়েড ফুরফুরে মন নিয়ে পেচ্ছাপ করে হালকা হয়ে নিল। তবু ঠিক কমফোর্ট ফিল না হওয়ায় আরও হালকা হওয়ার উদ্দেশ্যে পুরো উদোম হয়ে খাটে উঠে ঘুমোতে যাবে, এমন সময় ওর বিপার বেজে উঠল।
"কোন ল্যাওড়া বে!" বিরক্তি চেপে বিপার তুলে নিয়ে ওয়েড দেখল একটা শপিং মলে আগুন লেগেছে।
"জীবনে বাল কিছু আর থাকল না।" হ্যাঙ্গার থেকে ইউনিফর্ম তুলে নিতে নিতে হতাশ ওয়েড স্বগতোক্তি করল, "শালা সুপারহিরোগিরি মারিয়ে মারিয়ে বাঁশ হচ্ছে পুরো।"
জম্পেশ করে একটা হাই তুলে ওয়েড দৌড় দিল। হুঁশ..
বাইবাই, পাইপাই করে দৌড়চ্ছে ওয়েড। অবশ্য অলস থাকার কারণে স্পিড অনেক কম আপাতত। মিনিটে 200 কিমি গতিবেগ নিয়ে চলছে ওর পা। এই রাত্রে রাস্তা ফাঁকা বলে মাঝে মধ্যে ঝপ করে চোখ বুজেও নিচ্ছে। ঘুমটা যায়নি এখনও।
জ্বলন্ত মলের সামনে পৌঁছল ওয়েড। ওকে দেখেই বাইরের জনতার মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে গেল।
"ফ্ল্যাশ এসেছে। ফ্ল্যাশ এসেছে।"
ওয়েড ক্রুদ্ধ স্বরে বলল, " গান্ডু কোম্পানির ভেজাল সাপ্লাই নাকি বাওয়া? আমি এসেছি আমি জানি না? ক্যাত করে পেছনে এমন লাথাব না, হাগতে গিয়ে হিসু বেরবে।"
এক ভদ্রমহিলা কাঁদতে কাঁদতে বললেন, "আমার মেয়ে আটকে আছে ফ্ল্যাশ ভাই। প্লিজ.."
ওয়েড গম্ভীর হয়ে বলল, " রাখী পরানোর মতলব একদম নয় নারী। নো ইমোশনাল অত্যাচার। জাস্ট ডু ইওর ডিউটি। আপনার কাজ কাঁদা, আমার কাজ পাঁদা। "
দু'সেকেন্ড লুঙ্গি ড্যান্স করে ওয়েড দৌড়ে ঢুকে গেল মলের ভিতর। সে জানে এই ড্যান্স-ভিডিও ভাইরাল হবে। প্রচারের আলোয় থাকার সূক্ষ্ম কৌশল।
মলের ভিতরে এত আগুন জ্বলছে যে ওয়েড প্রথমে ভাবল বোধহয় স্পেশাল এফেক্ট। শুঁকে পরখ করতে গিয়ে নাকের লোম পুড়ে যাওয়ায় নিঃসন্দেহ হল। এত আগুন তো ওয়েডের প্রেমিক-হৃদয়েও নেই কাকা! অজ্ঞান হয়ে যাওয়া একজনের দিকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে পাঁদ দিতেই সে সজ্ঞান হয়ে ওয়েডকে ধাক্কা মেরে নিজে আগুনে ঝাঁপ দিতে গেছিল। অদ্ভুত লোক মাইরি। স্ট্রং গাঁজা টেনে আলোর গতির অর্ধেক বেগে দৌড়তে সক্ষম ওয়েড উইলসন ওরফে ফ্ল্যাশ-এর সামনে এসব প্ৰচেষ্টা কখনও সাফল্যের মুখ বা পোঁদ কিছুই দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা জিরো। কেউ বোঝে না! দীর্ঘশ্বাস ফেলে ওয়েড ওকে ধরে বাইরে নিয়ে গেল। আরেকজন 'ভয় করছে, ভয় করছে" বলে ওয়েডের নাগালে আসতে না চাওয়ায় ওয়েড তার মোটা ভুঁড়িতে সুপারফাস্ট কিক মেরে বাইরে পাঠিয়ে দিল। এইভাবে ক্রমে-ক্রমে সবাইকে উদ্ধার করে ফেলল ফ্ল্যাশ।
ইতিমধ্যে সাংবাদিকরা চলে এসেছে। তারা ফ্ল্যাশের মুখের সামনে মাইক ধরে জিজ্ঞেস করল, "এই বীরত্বের কাজ করে আপনার ঠিক কেমন লাগছে?"
"ভাল। মনে হচ্ছে আমি একটা বাঘ, আর সামনে একপাল ভেড়া। দারুণ ফিলিং।"
সাংবাদিক আমতা-আমতা করে বলল, "উপমাটা কেমন যেন, ইয়ে মানে অপ-"
"সরি, ভুল বললাম। বাঘ তো ভেড়া চিবিয়ে ব্রেকফাস্ট করে। আমি বাঁচালাম। সবাই বাড়ি যান। ভিডিওটা কেউ একজন হোয়াটসআপ করে দিন আমায়।" ওয়েড মাথা ঝাঁকিয়ে দেখল ড্যানড্রাফ পড়ছে কিনা, "সঙ্গে নিজের ডাকনাম পাঠাতে ভুলবেন না। যে নামে বউ ডাকে, কেমন?"
ওয়েড যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হল কংক্রিটের রাস্তায় জুতো ঠুকে। সবাই সমস্বরে আবেদন করল, "আমাদের জন্য কিছু বাণী, উপদেশ দেবেন না ফ্ল্যাশ?"
ওয়েড চোখ নাচিয়ে হাসল, "ফাক ইওরসেলফ ডিয়ার।"
.

